সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

আটোয়ারীতে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ১২ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৫ জন শিক্ষক 

সালাম মুর্শেদী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ১১:৫০ পিএম
আটোয়ারীতে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত ১২ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৫ জন শিক্ষক 

ঘড়ির কাঁটায় তখন বেলা ৩টা বেজে ১৫ মিনিট। বিদ্যালয়ের সব কয়টি কক্ষের দরজা জানালা খোলা। বাহির থেকে দেখে বোঝার কোনো অবকাশ নেই যে স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম। ভিতরে গিয়ে দেখা যায় পঞ্চম শ্রেণির কক্ষে ২, তৃতীয়তে ৪ এবং চতুর্থ শ্রেণিতে মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থী। 

এ চিত্র পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ঝলঝলি পুকুরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। গত মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে ওই চিত্র দেখা যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিহার রঞ্জন ঝাঁ জানান, ‘বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৩১ জন। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে ৬ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৭ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৭ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৭ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থী। 

তিনি আরো জানান, আমাদের স্কুলের আশেপাশে কোনো গ্রাম নাই। স্কুল থেকে গ্রাম একটু দূরে। স্কুলে আসার মতো ভালো যাতায়াত ব্যবস্থা নাই। এছাড়াও গ্রামের কাছাকাছি বা যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো সেখানেই অভিভাবকরা বাচ্চাদের ভর্তি করাচ্ছে’। 

আটোয়ারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ১১২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ১১২ টি প্রতিষ্ঠানে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৮২০ জন। ১১২ টির মধ্যে ৭৮ টি প্রতিষ্ঠানে ১০০ জনেরও কম শিক্ষার্থী রয়েছে। আর ১ টি প্রতিষ্ঠানে ৩০ জনের কম শিক্ষার্থী রয়েছে। 

এছাড়াও আটোয়ারী উপজেলায় ৩৬ টি কিন্ডারগার্টেনের মধ্যে পাঠদানের অনুমতি প্রাপ্ত কিন্ডারগার্টেনের সংখ্যা ১৩ টি। যেখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। উপজেলায় কর্মরত প্রধান শিক্ষক ৭৪ জন। প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ৩৮ টি। এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ৪৯৭ জন এবং শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে ৫৫ টি।

জানা যায়, আটোয়ারী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে দিন দিন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। প্রতিবছরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীর পরিমাণ কমছে। প্রাথমিকে ভর্তি হতে আগ্রহ হারাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এতে অভিভাবকরা বলছেন, প্রাথমিকে পড়ালেখার মান ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার অভাবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, যেকোনো বাজার বা রাস্তার পাশের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা এবং উপস্থিতি তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকলেও গ্রাম ও সীমান্তবর্তী স্কুলগুলোতে এর সংখ্যা খুবই কম। এছাড়াও অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সংকট তো রয়েছেই। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ সচেতন মহলের।

অভিভাবকরা বলছেন, বেসরকারি বিদ্যালয় বা কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে, তার তুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো অনেক পিছিয়ে। কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি পাঠ্য বইয়ের বাইরে বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হয় যেটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হয়না। সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের গুণগত মান আগের মতোই। তারা শিক্ষার্থীদের নতুন করে কিছু দিতে পারছেন না। সরকারি শিক্ষকদের মাঝেমধ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীদের উপকার হতো বলে মনে করছেন তারা। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদ হাসান বলেন, ‘আটোয়ারী উপজেলা সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। এখানে শিক্ষার মান তুলনামূলক ভাবে কম। বেশির ভাগ অভিভাবক কৃষক। কৃষি কাজের সাথে তাদের সন্তানরাও জড়িত থাকায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। তবে পরীক্ষার সময় কিছুটা বাড়ে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য অভিভাবকদের আরও সচেতন হবে। আমরা প্রতিমাসে অভিভাবক সমাবেশ করছি। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের সচেতনতা প্রয়োজন’।

ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

স্বপন মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নে অবস্থিত ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করা হয়।

জানা যায়, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় মোট পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিতায় ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিএনপির সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার, এডক কমিটির সদস্য কামরুজামান লিটন, ডোয়াইল যুবদল নেতা তোফাজ্জল হোসেন, ডোয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি লিটন মিয়া, ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মুন্নাফ, ভাস্কর পুর্দ্দার, আনোয়ার হোসেন, হারুন-অর রশিদ ও আঃ রহমানসহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দরা। 

এ সময় তারা বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বৃক্ষ তুলে দিবো। তারা তাদের বসতবাড়িতেও বৃক্ষরোপণ করে সুবজ পরিবেশ সৃষ্টি করবে এই দেশে।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল

ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

নতুন শিক্ষাবর্ষ উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া এলাকায় অবস্থিত জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা-য় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, আদব-আখলাক এবং যুগোপযোগী শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে সীমিত আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, নূরানী, হিফজ ও কিতাব বিভাগসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে কুরআন-হাদিস, ইসলামী শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক ও অনাবাসিক—উভয় ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, নিয়মিত পাঠদান, দৈনিক আমল-আখলাক চর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার মুহতামিম বলেন, “একজন শিক্ষার্থীকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আলোকিত ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল বলেন, “দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় আগ্রহী অভিভাবকদের দ্রুত যোগাযোগ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, এলাকায় মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষার ক্ষেত্রে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক, মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষেও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে এক ভাসুর উধাও যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায়, ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া ভাসুরের নাম রফিকুল ইসলাম (৪২)। তিনি উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পল্লি বিদ্যুৎ কনপাড়া গ্রামের হাকিম উদ্দিনের ছেলে। নিজের চাচাতো ভাই আবু তাহেরের বউকে নিয়ে পরকীয়ার জেরে উধাও হয়েছেন রফিকুল ইসলাম। গত সোমবার থেকে তারা উধাও হয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারটির।

স্থানীয়রা জানান, বড় ভাই রফিকুল আর ছোট ভাই আবু তাহেরের বাড়ি পাশাপাশি। একসাথে বাড়ি হওয়ায় তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া রফিকুল ৩ সন্তান বাবা অপরদিকে রফিকুলের সাথে পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূও ৩ সন্তানের মা। দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে তারা গত সোমবার পালিয়ে গেছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

অভিযোগ রয়েছে, গত সোমবার সুযোগ বুঝে ভাসুর ওই গৃহবধূকে নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা দ্রুত বিষয়টির আইনগত সমাধান এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ বিষয়ে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান তাঁর জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। তারা পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনগত প্রতিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।