ভালুকায় বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ)উদযাপন করা হয়
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি।
আজ থেকে ১৪৫৪ বছর পূর্বে ১২ই রবিউল আউয়াল সারা দো-জাহানের রহমত সরূপ এই দুনিয়াতে মানুষরুপে এসেছিলেন হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
আর সেদিন সারা দো-জাহানে আল্লাহ তায়ালার সকল সৃষ্টিকূল খুশি হয়েছিলেন। বিভিন্ন হাদিস থেকে পাওয়া যায় রাসূল সাঃ এ দুনিয়ায় আগমন উপলক্ষে অসংখ্য মরা গাছ জীবিত হয়ে উঠেছিলেন। এরকম বহু অৌলকিক ঘটনা ঘটেছিলো ঐদিনে। এরপর থেকেই রাসূল সাঃ আগমন উপলক্ষে আনন্দের সাথে এ দিনটিকে বিভিন্ন ভাবে পালন করা হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আনন্দের সহিত উদযাপন করা হয়েছে। ইসলামি ঐতিহ্য অনুযায়ী, আজ থেকে ১৪৫৪ বছর পূর্বে ১২ই রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুনিয়ার আলো দেখতে আগমন করেন—যা মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত ও বরকতের দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।
উক্ত ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উদযাপন অনুষ্ঠানে আল মাদীন ইনামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীর আব্দুর রউফ ফকির।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনিরুল ইসলাম মনির মেম্বার, আশরাফুল আলম বাবুল, শাহ সূফী সৈয়দ মনির চিশতি, ওয়াসিম আল ক্বাদরী, মাওলানা নজরুল ইসলাম চিশতী, জসীম উদ্দিন আল চিশতী, সৈয়দ মজিবুর রহমান চিশতী ও মোঃ হেলিম সাহেব।
এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইমন আহমেদ জজ, সফিকুল ইসলাম খান, পারভেজ ফকির ও সোহরাব ভান্ডারীসহ অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
(শনিবার) দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে বটটিলা মাজার ময়দানে এসে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন আলোচকগণ নবী (সাঃ)-এর জীবনাদর্শ, ত্যাগ, দয়া ও মানবকল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদানের উপর আলোকপাত করেন এবং নবীজীর দেখানো পথে জীবন গঠনের আহ্বান জানান।








