নারায়ণগঞ্জে ৩২ জনের সম্মিলিত চেষ্টায় ভিত্তি প্রস্তর হলো বহুতল ভবনের
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, পরিকল্পনা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার বাস্তব রূপ পেল নারায়ণগঞ্জের ৩২ জন উদ্যোগী ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন একটি আধুনিক বহুতল ভবন। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ইউনিয়নের একটি আবাসিক এলাকায় আয়োজিত এক দোয়ার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভবনটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত দোয়ার অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং এলাকার বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

জানা যায়, নগরায়নের চাহিদা ও নিরাপদ আবাসনের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ৩২ জন সদস্য কয়েক বছর আগে একটি যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তারা গোদনাইল ইউনিয়নের জালকিঁড়ি মৌজার সে:মি: ২০২ নং, এস.এ-১৫ নং, আর.এস-৬ নং এবং ৫৮ নং সি.এস খতিয়ান, এস.এ-১৩৬ নং ও আর.এস-২০৫ নং খতিয়ানে ১৬.৭৫ শতাংশ (শতক) জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর জমির নকশা প্রণয়ন, অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর অবশেষে বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভবনটিতে আবাসিক ফ্ল্যাটের পাশাপাশি বিভিন্ন সুবিধাও রাখা হবে বলে জানিয়েছেন ভাবন মালিকরা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তারা বলেন, এককভাবে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তবে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। এই বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

প্রকল্পের অন্যতম উদ্যোক্তা শাহেদ হোসাইন বলেন, “আমরা ৩২ জন একসঙ্গে স্বপ্ন দেখেছিলাম একটি আধুনিক ও নিরাপদ আবাসন গড়ে তোলার। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আজ সেই স্বপ্নের প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হলো। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এমন প্রকল্প বাস্তবায়ন সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এতে আবাসন সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার সংস্কৃতিও আরও শক্তিশালী হবে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী ভবনটির নির্মাণকাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজ পরিচালনা করা হবে। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি এলাকার অন্যতম আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন ভবনে পরিণত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।





