সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল ওয়ারেস আনসারী নামে

অন্য কারো নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ১২ বছর চাকরি!

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ৩:৩৬ পিএম
অন্য কারো নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ১২ বছর  চাকরি!

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল ওয়ারেস আনসারী নামে এক ব্যক্তি প্রায় ১২ বছর ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত। সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে জানা গেছে যে, ওই ব্যক্তি ওয়ারেস আনসারী নন।

২৭ মে তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া ভুয়া নিয়োগে ওই ব্যক্তিকে সহায়তা করেছিলেন। তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্তও করা হয়েছে। তিনি ওই ব্যক্তির চাচা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে যে, তাদের রাজশাহী অফিসের যুগ্ম পরিচালক মো. আব্দুল ওয়ারেস আনসারী, যিনি ১২ বছর ধরে কর্মরত, তিনি আসলে ভিন্ন ব্যক্তি। তিনি এতদিন ধরে তার চাচার যোগসাজশে সেই নামেই কাজ করে আসছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ভুয়া আনসারী তার চাচা মো. শাহজাহান মিয়ার সহায়তায় ২০১৩ সালের ২২ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক (সাধারণ) হিসেবে যোগদান করেন। বরখাস্ত হওয়ার আগে, ওই ব্যক্তি বাংলাদেশ ব্যাংকে যুগ্ম পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এক দশক আগে, নারায়ণগঞ্জের বর্তমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়ারেস আনসারি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। তিনি কখনও বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেননি। যদিও তিনি যোগদান করেননি, লোকটি তার আসল নাম ব্যবহার করে যোগদান করেছিলেন।

জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল ওয়ারেস আনসারি বলেন, আমি আগে এই ঘটনা সম্পর্কে জানতাম না। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পারি যে আমার নামে একজন ১২ বছর ধরে কাজ করছেন। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগও করিনি। কারণ আমি বিষয়টি জানতাম না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে, আমি ৩১তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা উভয়ই পাস করে সিভিল সার্ভিসে যোগদান করি। আমার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশ ব্যাংকে কাজ করছে কিনা তা আমার কোনও ধারণা ছিল না।

আমরা যখন আনসারির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি, তখন তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে, যখন তিনি তার ফোনে কল করেন, তখন ট্রুকলারের নাম শাহজালাল আনসারী দেখানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি তদন্ত করে আসছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে এবং নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে, এই কাজে সহায়তাকারী শাহজাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন যে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য খুবই বেদনাদায়ক।

এ বিষয়ে জানতে শাহজাহান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি নিজের পরিচয় দিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তিনি আর কোনও ফোন ধরেননি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে জড়িতরা জানিয়েছেন যে ড. আতিউর রহমান ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন। সেই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি নিয়োগ এবং একজন নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধির অভিযোগ আনা হয়েছিল। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও ধরা পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত তৎকালীন গভর্নরের কারণে সেই নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগ আমলে নিযুক্ত অন্যদের নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

স্বপন মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নে অবস্থিত ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করা হয়।

জানা যায়, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় মোট পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিতায় ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিএনপির সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার, এডক কমিটির সদস্য কামরুজামান লিটন, ডোয়াইল যুবদল নেতা তোফাজ্জল হোসেন, ডোয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি লিটন মিয়া, ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মুন্নাফ, ভাস্কর পুর্দ্দার, আনোয়ার হোসেন, হারুন-অর রশিদ ও আঃ রহমানসহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দরা। 

এ সময় তারা বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বৃক্ষ তুলে দিবো। তারা তাদের বসতবাড়িতেও বৃক্ষরোপণ করে সুবজ পরিবেশ সৃষ্টি করবে এই দেশে।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল

ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

নতুন শিক্ষাবর্ষ উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া এলাকায় অবস্থিত জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা-য় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, আদব-আখলাক এবং যুগোপযোগী শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে সীমিত আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, নূরানী, হিফজ ও কিতাব বিভাগসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে কুরআন-হাদিস, ইসলামী শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক ও অনাবাসিক—উভয় ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, নিয়মিত পাঠদান, দৈনিক আমল-আখলাক চর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার মুহতামিম বলেন, “একজন শিক্ষার্থীকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আলোকিত ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল বলেন, “দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় আগ্রহী অভিভাবকদের দ্রুত যোগাযোগ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, এলাকায় মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষার ক্ষেত্রে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক, মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষেও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে এক ভাসুর উধাও যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায়, ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া ভাসুরের নাম রফিকুল ইসলাম (৪২)। তিনি উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পল্লি বিদ্যুৎ কনপাড়া গ্রামের হাকিম উদ্দিনের ছেলে। নিজের চাচাতো ভাই আবু তাহেরের বউকে নিয়ে পরকীয়ার জেরে উধাও হয়েছেন রফিকুল ইসলাম। গত সোমবার থেকে তারা উধাও হয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারটির।

স্থানীয়রা জানান, বড় ভাই রফিকুল আর ছোট ভাই আবু তাহেরের বাড়ি পাশাপাশি। একসাথে বাড়ি হওয়ায় তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া রফিকুল ৩ সন্তান বাবা অপরদিকে রফিকুলের সাথে পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূও ৩ সন্তানের মা। দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে তারা গত সোমবার পালিয়ে গেছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

অভিযোগ রয়েছে, গত সোমবার সুযোগ বুঝে ভাসুর ওই গৃহবধূকে নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা দ্রুত বিষয়টির আইনগত সমাধান এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ বিষয়ে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান তাঁর জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। তারা পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনগত প্রতিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।