সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে

ইন্দুরকানীতে আলীম পরীক্ষার প্রবেশপত্রে খরচাপাতি বাণিজ্য

মোঃ আরিফুল ইসলাম পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫, ৫:১৮ পিএম
ইন্দুরকানীতে আলীম পরীক্ষার প্রবেশপত্রে খরচাপাতি বাণিজ্য

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ৬টি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে আলিম পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যায়, কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন ও সম্মানিসহ নানা খাত দেখিয়ে আলিম পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।

শিক্ষকদের একটি চক্র প্রবেশপত্র দেওয়ার নামে লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে ধারণা করছেন অভিভাবকরা।

এ পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের খরচাপাতি বাণিজ্যে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতনদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, ইন্দুরকানী এফ করীম আলীম মাদ্রাসা, বালিপাড়া সিনিয়র আলীম মাদ্রাসা, বালিপাড়া চানসিরাজিয়া মহিলা আলীম মাদ্রাসা, টগড়া দারুল ইসলাম কামীল মাদ্রাসা, দিঘীরপাড় আলীম মাদ্রাসা, ও বাটাজোর আলীম মাদ্রাসার মোট ১৪৮ জন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশ নিবে। আর তাই সকল শিক্ষার্থীদের প্রবেশপথ বিতরণ করছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু পরিক্ষার হল সুপারের নির্দেশেই প্রবেশপথ বিতরণে প্রত্যেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের থেকে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি টাকা।

ইন্দুরকানী এফ করীম আলীম মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থী জানান, পরীক্ষা ফরম পূরনের সময় তাদের কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বাড়তি টাকা আদায় করা হয়েছে। ফের প্রবেশপত্র আটকিয়ে ৮০০ টাকা করে আদায় করছে। আমি ২০০ টাকা কম দিয়ে প্রবেশপথ নিতে চাইলে মাদ্রাসা থেকে আমাকে প্রবেশপথ দিচ্ছে না। তাছাড়া এরকম বাড়তি টাকা সকল শিক্ষার্থীদের পরিবারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই অনেকেই টাকা দিতে না পেরে প্রবেশপথ না নিয়েই বাড়িতে চলে গেছে।

একই মাদ্রাসার আর এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, তার মেয়ে মাদ্রাসার ভিতরে ভালো ছাত্রী কিন্তু প্রবেশপত্র নিতে গেলে মাদ্রাসা থেকে ৮০০ টাকা দাবি করলে আমার পক্ষে ৮০০ টাকা দেওয়া সম্ভব না জানিয়ে টাকা আদায়কারী শিক্ষকের কাছে ২০০ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র দিতে অনুরোধ করি। কিন্তু শিক্ষক সাফ জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত টাকার চেয়ে কম নেওয়া সম্ভব না। তাই আমি আমার মেয়ের প্রবেশপত্র না নিয়েই চলে আসি।

টাকা আদায়ের দায়িত্বে থাকা ওই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম জানান, আলীম পরীক্ষায় দায়িত্বে থাকা হল সুপার টগড়া দারুল ইসলাম কামীল মাদ্রাসার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ ড. আব্দুল্লাহীল মাহমুদ এর নির্দেশনায় প্রতি শিক্ষার্থীদের থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় ৮০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া তিনি আরো বলেন, আমার মাদ্রাসায় ২৮ জন আলীম পরিক্ষার্থী রয়েছে তাদের প্রত্যেকের থেকে ৮০০ টাকা করে নিয়ে হল সচিবকে দিতে হবে কারো থেকে এক টাকাও কম নেওয়া হলে সেই টাকা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে পুরন করে হল সুপার কে দিতে হবে এমনটাই হল সুপার বলেছেন আর সেই কারণেই তিনি বাড়তি টাকা আদায় করছেন।

এ ব্যাপারে আলীম পরিক্ষার হল সুপার টগড়া দারুল ইসলাম কামীল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. আব্দুল্লাহীল মাহমুদ বলেন, পরিক্ষার সময় বোর্ড থেকে আসা কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন সহ বিভিন্ন ধরনের খরচ হয়ে থাকে, সেই খরচ মেটানোর জন্যই শিক্ষার্থীদের প্রবেশপথ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। কার নির্দেশে তিনি অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদ্রসা বোর্ড ও পরিক্ষার কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্তে টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া বিগত বছরেও পরিক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ করার সময় এমন ভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে বাড়তি টাকা নেওয়ার বিষয়য়ে কোন লিখিত অনুমতি আছে কিনা জানিতে চাইলে লিখিত অনুমতি নেই বলে তিনি জানান।

ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

স্বপন মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নে অবস্থিত ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করা হয়।

জানা যায়, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় মোট পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিতায় ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিএনপির সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার, এডক কমিটির সদস্য কামরুজামান লিটন, ডোয়াইল যুবদল নেতা তোফাজ্জল হোসেন, ডোয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি লিটন মিয়া, ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মুন্নাফ, ভাস্কর পুর্দ্দার, আনোয়ার হোসেন, হারুন-অর রশিদ ও আঃ রহমানসহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দরা। 

এ সময় তারা বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বৃক্ষ তুলে দিবো। তারা তাদের বসতবাড়িতেও বৃক্ষরোপণ করে সুবজ পরিবেশ সৃষ্টি করবে এই দেশে।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল

ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

নতুন শিক্ষাবর্ষ উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া এলাকায় অবস্থিত জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা-য় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, আদব-আখলাক এবং যুগোপযোগী শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে সীমিত আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, নূরানী, হিফজ ও কিতাব বিভাগসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে কুরআন-হাদিস, ইসলামী শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক ও অনাবাসিক—উভয় ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, নিয়মিত পাঠদান, দৈনিক আমল-আখলাক চর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার মুহতামিম বলেন, “একজন শিক্ষার্থীকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আলোকিত ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল বলেন, “দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় আগ্রহী অভিভাবকদের দ্রুত যোগাযোগ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, এলাকায় মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষার ক্ষেত্রে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক, মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষেও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে এক ভাসুর উধাও যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায়, ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া ভাসুরের নাম রফিকুল ইসলাম (৪২)। তিনি উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পল্লি বিদ্যুৎ কনপাড়া গ্রামের হাকিম উদ্দিনের ছেলে। নিজের চাচাতো ভাই আবু তাহেরের বউকে নিয়ে পরকীয়ার জেরে উধাও হয়েছেন রফিকুল ইসলাম। গত সোমবার থেকে তারা উধাও হয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারটির।

স্থানীয়রা জানান, বড় ভাই রফিকুল আর ছোট ভাই আবু তাহেরের বাড়ি পাশাপাশি। একসাথে বাড়ি হওয়ায় তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া রফিকুল ৩ সন্তান বাবা অপরদিকে রফিকুলের সাথে পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূও ৩ সন্তানের মা। দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে তারা গত সোমবার পালিয়ে গেছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

অভিযোগ রয়েছে, গত সোমবার সুযোগ বুঝে ভাসুর ওই গৃহবধূকে নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা দ্রুত বিষয়টির আইনগত সমাধান এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ বিষয়ে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান তাঁর জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। তারা পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনগত প্রতিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।