আটোয়ারীতে বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
আগামী ২৫ জুলাই আটোয়ারীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমিরের আগমন উপলক্ষে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে এক আলোচনা ও প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকালে উপজেলার তোড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, আগামী ২৫ জুলাই আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমিরের আগমন উপলক্ষে তোড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ওই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় তোড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ জেড এম বজলুর রহমান জাহিদ।
এসময় আয়োজিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম দুলাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমান আব্দার, সাবেক সদস্য সচিব কুদরত-ই খুদা, সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউজ্জামান মানিক, সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন ও ভাইস চেয়ারম্যান শাহাজাহান, তোড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুব দলের সদস্য সচিব মাজেদুল ইসলাম মাজু সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ জেড এম বজলুর রহমান জাহিদ বলেন, আপনারা যেভাবে সুসংগঠিত হয়ে আজকে এখানে উপস্থিত হয়েছেন একইভাবে আগামী ২৫ তারিখের প্রোগ্রামে সবাই অংশগ্রহণ করবেন। দেশ থেকে স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে। আমরা এখন একটি স্বাধীন জাতি, স্বৈরাচার মুক্ত জাতি। আমরা গত ১৭টি বছর এভাবে কোন সমাবেশ বা মিটিং করতে পারিনি। আজকে মন খুলে খোলা মাঠে স্বাধীনভাবে আমরা সমাবেশ করতে পারছি। যারা দলের কঠিন মুহূর্তে দলকে ভুলে নাই, দলের পাশে ছিল সেসব মানুষ পরবর্তীতে দলে ঠাই পাবে। আগামী ২৫ তারিখে সাংগঠনিক সভায় সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্যে নজরুল ইসলাম দুলাল বলেন, আজকে বিএনপি’র বিভিন্ন নেতাকর্মী বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত হয়ে পড়ছে। যেটা মানুষের চোখে দৃষ্টিকটু। আজকে জামায়াতে ইসলামী বিচার সালিশ বা থানা পুলিশে নেই। তারা বিভিন্ন কলা কৌশল অবলম্বন করে তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়াচ্ছে। একদিকে বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী বিভিন্ন কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ছে, অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী সেই সুযোগে তাদের সংগঠনকে গুছিয়ে নিচ্ছে। সেক্ষেত্রে দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি তিনি জানিয়ে বলেন, বিভিন্ন বিচার সালিশ, থানা পুলিশ ও কার্ডের দিকে মনোনিবেশ না করে দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও নির্দলীয় বা নিরপেক্ষ কিছু মানুষ অন্য কোনো দলে যোগ দেওয়ার পূর্বেই বিএনপির সদস্য হিসেবে তাদেরকে সংগ্রহ করার নির্দেশনা দেন তিনি।








