সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

গ্রামীণ জনপদে বিভিন্ন গাছপালা

ঔষধি গুণে ভরপুর প্রকৃতির লুকিয়ে থাকা ধন: বিস্ময়কর পটকা ফল

-মোহাম্মদ নাজিবুল বাশার- প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:২৩ পিএম
ঔষধি গুণে ভরপুর প্রকৃতির লুকিয়ে থাকা ধন: বিস্ময়কর পটকা ফল

বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে বিভিন্ন গাছপালা, ফল ও ভেষজ উদ্ভিদের দেখা মেলে যেগুলো প্রকৃতির একেকটি বিস্ময়। এসবের অনেকগুলো আমাদের চোখের সামনে থাকলেও আমরা জানি না তাদের প্রকৃত উপকারিতা বা মূল্য। এমনই এক বিস্ময়কর ফল হলো ‘পটকা ফল’-যা বহু গ্রামীণ এলাকায় চেনা হলেও আজও থেকে গেছে প্রকৃতির এক অবহেলিত রত্ন হিসেবে। এই ফলের সৌন্দর্য, স্বাদ ও ঔষধি গুণাবলি একে করে তুলেছে বিশেষ। অথচ অজ্ঞতা ও অবহেলায় এই ফল আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।

পটকা ফল মূলত একটি বন্যফল। এর বৈজ্ঞানিক নাম Sterculia foetida। এটি একধরনের মাঝারি আকারের গাছ, যার উৎপত্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে। আমাদের দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের কিছু এলাকায় এই গাছ স্বাভাবিকভাবে জন্মে। ফলটি আকারে মাঝারি, রঙে সবুজ থেকে পাকলে লালচে বা বাদামি হয়। পাকা অবস্থায় ফলটি ফেটে যায় এবং ভেতরে থাকা কালো চকচকে বীজগুলো বেরিয়ে আসে। এই বীজগুলোই “পটকা বীজ” নামে পরিচিত, যেগুলো খাওয়ার যোগ্য এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। পুষ্টি ও উপকারিতা হিসেবে পটকা বীজে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই ও ফ্যাটি অ্যাসিড। এগুলো শরীরের কোষ গঠনে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলের ভেতরের তেল থেকে তৈরি হয় স্টেরকুলিয়া অয়েল, যা প্রাচীনকাল থেকে ত্বকের যত্ন, চুল পড়া রোধ এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গ্রামীণ চিকিৎসকরা এই তেল ব্যবহার করেন সন্ধি ব্যথা, বাত ও চর্মরোগে। এছাড়া শুকনো বীজ ভেজে খেলে এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীরে শক্তি জোগায়। আবার, ফলের শাঁস ও খোসা গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, যা কৃষক সমাজের জন্য এক প্রাকৃতিক সম্পদ।

ঔষধি গুণে ভরপুর পটকা গাছের প্রতিটি অংশেই রয়েছে ভেষজ গুণ। এর পাতা ও বাকল ব্যবহার করা হয় জ্বর, ডায়রিয়া ও ত্বকের প্রদাহে। গাছের রস শরীর ঠান্ডা রাখে এবং রক্ত পরিষ্কার করে। বীজ থেকে প্রাপ্ত তেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়।বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এই ফলের নির্যাস ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় এই গাছের বীজকে বলা হয় ‘জীবনীশক্তি উদ্দীপক’।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মাঝেও ভূমিকা রাখে পটকা গাছ। শুধু ফলের জন্য নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি একটি দ্রুতবর্ধনশীল বৃক্ষ, যার শিকড় মাটির ক্ষয় রোধ করে এবং বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়। এ গাছ পাখি ও ছোট প্রাণীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।বিশেষ করে পাকা ফল ফেটে গেলে যেভাবে এর বীজ ছড়িয়ে পড়ে, তা প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়ার জন্য অসাধারণ এক উদাহরণ।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এই মূল্যবান গাছ ও ফল আজ মানুষের অবহেলায় প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। বনভূমি ধ্বংস, রাসায়নিক দূষণ ও নগরায়নের চাপে পটকা গাছের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে।

গ্রামাঞ্চলেও এখন এই ফল চোখে পড়ে না। অনেকে একে “অখাদ্য” ভেবে গাছ কেটে ফেলছে। অথচ একটু সচেতনতা ও পরিচর্যা দিলে এই গাছ হতে পারে আয়ের এক বড় উৎস। বিশেষ করে এর তেল ও বীজ আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে।
প্রকৃতির এই অনন্য উপহারকে টিকিয়ে রাখতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া প্রয়োজন। স্কুল-কলেজে “স্থানীয় ফল ও বৃক্ষ রক্ষা অভিযান” চালু করলে নতুন প্রজন্ম এ সম্পর্কে জানতে পারবে। গবেষকরা যদি পটকা ফলের তেল, বীজ ও পাতা নিয়ে আধুনিক গবেষণা করেন, তবে এটি হতে পারে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় হারবাল শিল্পের কাঁচামাল।

‘পটকা ফল’ কোনো সাধারণ বন্যফল নয়; এটি প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। এর প্রতিটি অংশে রয়েছে ঔষধি গুণ, পুষ্টি ও পরিবেশগত উপকারিতা। অথচ অবহেলা ও অজ্ঞতার কারণে আমরা হারাতে বসেছি এই অনন্য সম্পদটি। প্রকৃতিকে ভালোবাসা মানে শুধু বড় বড় গাছ লাগানো নয়, বরং ছোট ছোট বুনোফল ও গাছপালাকেও যত্নে রাখা। আমাদের উচিত এখনই উদ্যোগ নেওয়া-“পটকা ফল বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও” এই স্লোগানকে সামনে রেখে। কারণ, প্রকৃতির এই অবহেলিত রত্ন একদিন হতে পারে আমাদের অস্তিত্ব রক্ষারই এক মূল্যবান সহচর।

ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

স্বপন মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়:: সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারাদেশের ন্যায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নে অবস্থিত ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করা হয়।

জানা যায়, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় মোট পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিতায় ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সবুজায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিএনপির সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার, এডক কমিটির সদস্য কামরুজামান লিটন, ডোয়াইল যুবদল নেতা তোফাজ্জল হোসেন, ডোয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি লিটন মিয়া, ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মুন্নাফ, ভাস্কর পুর্দ্দার, আনোয়ার হোসেন, হারুন-অর রশিদ ও আঃ রহমানসহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দরা। 

এ সময় তারা বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বৃক্ষ তুলে দিবো। তারা তাদের বসতবাড়িতেও বৃক্ষরোপণ করে সুবজ পরিবেশ সৃষ্টি করবে এই দেশে।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল

ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:১০ পিএম
ত্রিশালে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু

নতুন শিক্ষাবর্ষ উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া এলাকায় অবস্থিত জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা-য় শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, আদব-আখলাক এবং যুগোপযোগী শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানে সীমিত আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, নূরানী, হিফজ ও কিতাব বিভাগসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে কুরআন-হাদিস, ইসলামী শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক ও অনাবাসিক—উভয় ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন, নিয়মিত পাঠদান, দৈনিক আমল-আখলাক চর্চা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসার মুহতামিম বলেন, “একজন শিক্ষার্থীকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আলোকিত ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও মা লেবেল অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিকুর রহমান সোহেল বলেন, “দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ একটি আদর্শ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় আগ্রহী অভিভাবকদের দ্রুত যোগাযোগ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, এলাকায় মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষার ক্ষেত্রে জামি’আ সিরাজুল উলুম মাদ্রাসা ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক, মানবিক ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষেও বিপুলসংখ্যক অভিভাবক তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও ভাসুর

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে এক ভাসুর উধাও যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায়, ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া ভাসুরের নাম রফিকুল ইসলাম (৪২)। তিনি উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পল্লি বিদ্যুৎ কনপাড়া গ্রামের হাকিম উদ্দিনের ছেলে। নিজের চাচাতো ভাই আবু তাহেরের বউকে নিয়ে পরকীয়ার জেরে উধাও হয়েছেন রফিকুল ইসলাম। গত সোমবার থেকে তারা উধাও হয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারটির।

স্থানীয়রা জানান, বড় ভাই রফিকুল আর ছোট ভাই আবু তাহেরের বাড়ি পাশাপাশি। একসাথে বাড়ি হওয়ায় তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। ছোট ভাইয়ের বউকে নিয়ে উধাও হওয়া রফিকুল ৩ সন্তান বাবা অপরদিকে রফিকুলের সাথে পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূও ৩ সন্তানের মা। দীর্ঘদিনের পরকীয়ার সম্পর্কের কারণে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে তারা গত সোমবার পালিয়ে গেছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

অভিযোগ রয়েছে, গত সোমবার সুযোগ বুঝে ভাসুর ওই গৃহবধূকে নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। এরপর থেকে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা দ্রুত বিষয়টির আইনগত সমাধান এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ বিষয়ে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান তাঁর জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। তারা পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনগত প্রতিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।