শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

এবারের একটা ভোট একটা ইতিহাস তৈরি করবে- নওশাদ জমির

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২২ পিএম
এবারের একটা ভোট একটা ইতিহাস তৈরি করবে- নওশাদ জমির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র পঞ্চগড়-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেছেন এবারে নির্বাচন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করার নির্বাচন। আমাদেরকে এমন একজনকে নির্বাচন করতে হবে যে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই এবারের একটা ভোট একটা ইতিহাস তৈরি করবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারী) রাতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার তোড়িয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী পথসভায় অংশগ্রহণ করে তিনি ওই মন্তব্য করেন।

নওশাদ জমির বলেন, “তারেক রহমান লন্ডন থেকে এসে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা সরকার নির্বাচিত হওয়ার পরে ২৫ কোটি গাছ রোপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যুবকদের বেকারত্ব দূরীকরণে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। অসহায় দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণে আমরা কাজ করে যাব। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা মানুষের সহায়তা করব। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এলাকার রাস্তাঘাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সার্বিক উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাব”।

তিনি বলেন, “এর আগে যেমন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের বাচ্চাদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছিল ঠিক তেমনি আমরা এই কার্ডের মাধ্যমে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান করতে পারব। এই কার্ডের মাধ্যমে মানুষ তাদের সুচিকিৎসা পাবে। যারা অর্থাভাবে চিকিৎসা করতে পারে না তারা ফ্রিতে চিকিৎসা পাবেন। অর্থাৎ আমরা ‘বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু না’ এই স্লোগানকে নিয়ে কাজ করতে চাই। যারা পঞ্চগড়-১ আসনের মানুষ রয়েছেন আমরা চাইবো কেউ যেন অর্থাভাবে বা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ না করে। এটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি”।

নওশাদ জমির আরো বলেন, “আমাদের সমাজে যারা বেকার যুবক রয়েছে তাদেরকে কারিগরি এবং ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে জনশক্তিতে রুপান্তরিত করব। বেকার সমস্যার সমাধান করার জন্য আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা বিদেশে গিয়ে কাজ করুক। দেশের জন্য রেমিটেন্স যোদ্ধা তৈরি হোক। যদি কেউ কোন দেশের ভাষায় পারদর্শী না হয় তাহলে বিদেশে গিয়ে অনেক বাঁধার সম্মুখীন হয়। পৃথিবীর যেকোনো দেশেই তারা যাক না কেন ভাষাটা যদি জানা থাকে তাহলে কাজ করতে সুবিধা হবে। আর ভাষা যদি না জানা থাকে তাহলে অনেক সমস্যা হয়। তাই আমরা চেষ্টা করব বেকারত্ব দূর করার জন্য প্রত্যেকটা ছেলে মেয়েকে বিদেশি ভাষায় দক্ষ করতে। যারা যে দেশের ভাষা আয়ত্ত করতে পারবে তাকে সেই দেশে পাঠিয়ে দেশ রেমিটেন্স আয় করবে। আমরা চেষ্টা করব পঞ্চগড়-১ আসনের প্রত্যেকটা বাড়ি থেকে একটি করে ছেলে মেয়ে বিদেশে পাঠিয়ে বেকারত্ব দূর করে নিজের এবং সমাজের যেন পরিবর্তন ঘটাতে পারে”।

এসময় তোড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় আটোয়ারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম দুলাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব কুদরত-ই-খুদা, সাবেক সদস্য আব্দুর রহমান আব্দার, আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউজ্জামান মানিক, বাবুল হোসেন, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাসুদ পারভেজ, তোড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক মাহফুজার রহমান মেডেল সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ন্যায় বিচারের দাবি ভুক্তভোগী কৃষকের

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ন্যায় বিচারের দাবি ভুক্তভোগী কৃষকের

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ন্যায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মজিবর রহমান নামে এক ভুক্তভোগী। শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান ওই ভুক্তভোগী। তাঁর বাড়ি ইউনিয়নের পাহাড়বাড়ি এলাকায়। তিনি পেশায় একজন কৃষক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ আমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমি একটি নৃশংস হামলা মামলার বাদী। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে মামলা করার পরও আমি ন্যায়বিচার পাওয়ার পরিবর্তে আরও বেশি হয়রানি, ভয়ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
তিনি বলেন, গত ৩ জুন তার উপর এবং পরিবরের সদস্যদের উপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আমি, আমার স্ত্রী এবং আমার ছেলে ও মেয়ে গুরুতর আহত হই। আমাদের হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়। পরে আমি পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করি।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে মো. আব্দুস কুদ্দুস, মো. আব্দুল হোসেন, মো. আলম হোসেন, নুরজামাল, মোঃ আব্দুল হামিদ ওরফে লাড্ডু সহ মোট ৯ জনের নাম উল্লেখ করে তিনি জানান, তারা সংঘবদ্ধভাবে আমাদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে যা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অত্যন্ত বিস্ময় ও দুঃখের বিষয় হলো, মামলা দায়েরের পরও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেফতার করার মতো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। এতে আমরা শুরু থেকেই হতাশ ও উদ্বিগ্ন ছিলাম। এর চেয়েও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হামলায় আমাদের শরীরে গুরুতর জখম থাকা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রদান করেনি। আমার মেয়ের গলায় স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন ছিল। কিন্তু তার মেডিকেল সার্টিফিকেটে সেই আঘাতের কোনো উল্লেখই করা হয়নি, এমনকি ‘Simple Injury’ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়নি। অন্যদিকে আমার ও পরিবারের অন্য আহত সদস্যদের গুরুতর আঘাত, ধারালো অস্ত্রের ক্ষত এবং মাথায় সেলাই থাকার পরও মেডিকেল সার্টিফিকেটে কেবল “Simple Injury” উল্লেখ করা হয়েছে।
এই মেডিকেল সার্টিফিকেটকে ভিত্তি করে আসামিরা আদালত থেকে জামিন লাভ করে।
আসামীরা গত ৪ আগস্ট তারা জামিন লাভের পর থেকেই তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তিনি বলেন, জামিনের পর আসামিরা প্রকাশ্যে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। আমরা এখন নিজ বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারছি না। আমাদের পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
আমি প্রশ্ন রাখতে চাই, যদি একটি মামলার বাদীকে ন্যায়বিচার পাওয়ার পরিবর্তে উল্টো ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে থাকতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার কারণে আজ আমরা ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর শঙ্কায় রয়েছি।

সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, আমার এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আমাকে ও আমার পরিবারকে ন্যায়বিচার পেতে সহায়তা করুন। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না, শুধু আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং নিরাপদে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা চাই।

বিতর্কিত মেডিকেল সার্টিফিকেটের ব্যাপারে কথা বলতে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাসুদ হাসানের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মখলেছুর রহমান বলেন, থানায় মামলা দায়েরের পর থেকে আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বাদি কোন হুমকি বা ভয়ভীতির মধ্যে থাকলে আমাদের জানালে বা অভিযোগ দিলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।

ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনের ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে গফরগাঁওয়ের প্রবেশ মুখে

মকবুল হোসেন, (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৪ পিএম
ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনের ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে গফরগাঁওয়ের প্রবেশ মুখে

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেল লাইন ভেঙে কমিউটার ট্রেনের পাওয়ার কারসহ চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।

শুক্রবার (০৭ আগষ্ট) সকালে গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের হোম পয়েন্টে বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা টি ঘটে। ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়া বিপরীত গন্তব্যের কমিউটার ট্রেনের হাজরো যাত্রী চরম দুর্ভোগে সম্মুখীন হয়েছেন।

গফরগাঁও রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেন গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশ করার সময় হোম পয়েন্টে একটি লাইন ভেঙে যায়। এতে ট্রেনের ইঞ্জিন পরবর্তী ‘খ’ ‘গ’ ‘ঘ’ ও পাওয়ারকারসহ মোট ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়। যার ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার গফরগাঁও স্টেশনে, ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ফাতেমানগর স্টেশনে ও ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেন শ্রীপুর স্টেশনে আটকা পড়ে যায়। পরে স্টেশন কর্তৃপক্ষ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দুর্ঘটনা কবলিত জামালপুর কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনে যুক্ত করে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং ময়মনসিংহ থেকে বিকল্প ইঞ্জিন এনে দুর্ঘটনা কবলিত জামালপুর কমিউটার ট্রেন ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন।

গফরগাঁও স্টেশনের স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানান , হোম পয়েন্টে লাইন ভেঙে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জামালপুর কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনে লাগিয়ে ঢাকায় ও ময়মনসিংহ থেকে বিকল্প ইঞ্জিন এনে দুর্ঘটনা কবলিত জামালপুর কমিউটার ট্রেন ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

জিয়ানগরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

আরিফুল ইসলাম, জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৪ পিএম
জিয়ানগরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

পিরোজপুরের জিয়ানগরে ১০ পিস ইয়াবাসহ মানিক ফরাজি (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে জিয়ানগর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের কেওড়ার মোড় বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতার মানিক ফরাজি উপজেলার চড়াখালী গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুনসুর ফরাজির ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খানের নির্দেশে এসআই সঞ্জীব ঢালীর নেতৃত্বে এএসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মামুনের সমন্বয়ে পুলিশের একটি অভিযানিক দল কেওড়ার মোড় বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মানিক ফরাজির কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে জিয়ানগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর-০২, তারিখ ৬ আগস্ট ২০২৬।

জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পত্তাশী ইউনিয়নের কেওড়ার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবাসহ মানিক ফরাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পরে গ্রেপ্তার মানিক ফরাজিকে পিরোজপুর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওসি।