বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

তরুণদের অংশগ্রহণে মধুপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

মোহাম্মদ নাজিবুল বাশার, সিনিয়র ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টাঙ্গাইল: প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৪:২১ পিএম
তরুণদের অংশগ্রহণে মধুপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে দুর্নীতিবিরোধী বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি ও তরুণদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক প্রাণবন্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতা। বধুবার (৬ মে) সকাল ১০টা থেকে টানা ৩টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক) আয়োজন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানটি মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কলেজ শাখায় ২য় তলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন উপজেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ শীর্ষক বিষয়ের ওপর পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে প্রতিযোগীরা তাদের মেধা ও যুক্তি প্রদর্শন করে। প্রাণবন্ত ও যুক্তিনির্ভর এই প্রতিযোগিতা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।

বিচারক ও মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা একাডেমি শিক্ষা অফিসার মহি উদ্দিন আহম্মেদ, সহকারী শিক্ষা অফিসার নাজমুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অফিসার উজ্জল বৈরাগী। তারা প্রতিযোগীদের যুক্তি, উপস্থাপন ও ভাষার ওপর ভিত্তি করে বিজয়ীদের নির্বাচন করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলার নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন, বিশেষ অতিথি মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিতাই চন্দ্র কর, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) মধুপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আ. মজিদ, সহ-সভাপতি সালামা আফরোজা, সাধারণ সম্পাদক নাজমুছ সাদাৎ নোমান, দুপ্রক-এর সদস্য সহ-অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ বাবুল, আতিকুর রহমান মিন্টু, প্রভাষক নাজিবুল বাশার এবং স্থানীয় শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চমৎকার ভাবে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণের মধ্যে থেকে বিজয়ী হন মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং রানার্স আপ হন আউশনারা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শ্রেষ্ঠ বক্তা হন তাসরিম আলী আউশনারা স্কুলের শিক্ষার্থী।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী দল ও সেরা বক্তাদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে, যাতে তরুণরা নৈতিকতা ও সততার চর্চায় আরও উদ্বুদ্ধ হয়।

আটোয়ারীতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
আটোয়ারীতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বার আউলিয়া গ্রামের জলিলের ছেলে ইউসুফ আলী (৪৫), পার্শ্ববর্তী বোদা উপজেলার ধরধরা গ্রামের নরেশ রায়ের ছেলে নিমাই (১৪) এবং একই উপজেলার প্রধানপাড়া গ্রামের ইশক লালের ছেলে রিমন চন্দ্র (১৪)।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে তাদেরকে আটোয়ারী উপজেলার ধরধরা রেলগেইট এলাকা থেকে আটক করে আটোয়ারী থানা পুলিশ।

আটোয়ারী থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় এবং আটোয়ারী থানার এএসআই জগদীশ চন্দ্রের নেতৃত্বে মাদক বিরোধী এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ধরধরা রেলগেইট এলাকা থেকে মাদক কেনাবেচার সময় তাদেরকে ৫০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করা হয়।

আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে মাদক বিরোধী এক বিশেষ অভিযানে তাদেরকে ৫০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করা হয়। বুধবার (১৩ মে) বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আটোয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করে পঞ্চগড় বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আটোয়ারী থানা পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তারা জানান।

ইউজিসির গবেষণা প্রকল্প পেলেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইস্রাফিল শাহীন

সালাম মুর্শেদী, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
ইউজিসির গবেষণা প্রকল্প পেলেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইস্রাফিল শাহীন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও নবগঠিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ড. মো. ইস্রাফিল শাহীনের একটি গবেষণা প্রকল্প অর্থায়নের জন্য মনোনীত করেছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি)।

পুনর্বাসনের উপায় হিসেবে অংশগ্রহণমূলক সাংস্কৃতিক হস্তক্ষেপ, বাংলাদেশের কিশোর সংশোধনাগারগুলোতে কিশোর অপরাধের ওপর গল্প বলা, লোকনৃত্য, গান, আবৃত্তি, অভিনয় ও খেলাধুলার প্রভাব অন্বেষণ’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অর্থায়নের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

এবিষয়ে ড. ইস্রাফিল শাহীন বলেন, ‘অংশগ্রহণমূলক সাংস্কৃতিক হস্তক্ষেপ একটি মানবিক ও কার্যকর পুনর্বাসন পদ্ধতি। শিল্প, সংস্কৃতি, নাটক, সংগীত ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অপরাধপ্রবণ বা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন তরুণদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব’।

তিনি আরো জানান, ‘গবেষণা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের কিশোর সংশোধনাগারগুলোতে গল্প বলা, লোকনৃত্য, গান, আবৃত্তি, অভিনয় ও খেলাধুলার মাধ্যমে কিশোরদের মানসিক পরিবর্তন ও নতুন জীবনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে’।

ড. শাহীন মনে করেন, ‘এ ধরনের সাংস্কৃতিক হস্তক্ষেপ শুধু অপরাধ কমাতে নয়, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও দলগত মানসিকতা গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি সংশোধনের পাশাপাশি মানবিক রূপান্তরের প্রক্রিয়া হিসেবেও কাজ করবে বলে তার বিশ্বাস’। গবেষণা প্রকল্পটি অর্থায়নের জন্য মনোনীত করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

আটোয়ারীতে কালবেলার সাংবাদিককে প্রধান শিক্ষকের হুমকি, থানায় জিডি

সালাম মুর্শেদী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
আটোয়ারীতে কালবেলার সাংবাদিককে প্রধান শিক্ষকের হুমকি, থানায় জিডি

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ‘দৈনিক কালবেলা’র উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সালাম মুর্শেদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (০৯ মে) রাতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক আটোয়ারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি আটোয়ারী উপজেলার নিতুপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শেষ কর্মদিবসে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্যালয় ঘেরাও বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। পরে নিতুপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ দবিরুল ইসলাম ওই সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ ও হুমকি দেন। সাংবাদিক তার পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে নিতুপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই প্রধান শিক্ষকের অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রচার করে।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, মোঃ দবিরুল ইসলাম নিতুপড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৮ এপ্রিল, তার চাকরি জীবনের শেষ কর্ম দিবস ছিল। তিনি বিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায় তার নিজ প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়ে ওই সহকারী শিক্ষকগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর ওই প্রধান শিক্ষকের শেষ কর্ম দিবসে অভিযোগকারী সহকারী শিক্ষকগণ ও স্থানীয়রা আন্দোলন করতে থাকে। আন্দোলনের বিষয়ে আগে থেকে আচ করতে পেরে ৩৫ বছরের চাকরি জীবনের শেষ কর্মদিবসেও ওই প্রধান শিক্ষক বিদায় নিতেও উপস্থিত হননি। সহকারী শিক্ষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিক সালাম মুর্শেদী দৈনিক কালবেলার মাল্টিমিডিয়ায় একটি সংবাদ প্রচার করে। সেই সংবাদ প্রচারের সূত্র ধরে প্রধান শিক্ষক দবিরুল ইসলাম সালাম মুর্শেদীকে বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮ মে রাতে দবিরুল ইসলামের ব্যবহৃত মুঠোফোন দিয়ে সালাম মুর্শেদীকে কল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখায়। যার একটি অডিও কল রেকর্ড রয়েছে। এসময় ওই প্রধান শিক্ষক দবিরুল ইসলামক বলেন, সালাম মুর্শেদী কেন তার বিরুদ্ধে নিউজ করেছে? তিনি বলেন সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে নাকি কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নাকি দশ লক্ষ টাকার মানহানি মামলা করবেন। পত্রিকার সম্পাদককে দিয়ে তার চাকরি শেষ করে ফেলবেন। তিনি আরো বলেন, সালাম মুর্শেদী নাকি বেশি বেড়ে গিয়েছে, তাকে শায়েস্তা করতে হবে, তাকে থামাতে হবে এবং শেষ করে ফেলতে হবে বলে হুমকি প্রদর্শন করেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, তিনি পেশাদারিত্বের সাথে ওই প্রধান শিক্ষকের অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির বস্তুনিষ্ঠ এবং সঠিক তথ্য নির্ভর সংবাদ প্রচার করেছেন। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের পর তাকে ফোন কলে হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা সহ আইনি সুরক্ষা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক দবিরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।