সরিষাবাড়ীতে বায়নাপত্রে জমি না দিয়ে প্রতারণা: বিচার চান শহীদ
বায়নাপত্র জমি লিখে না দিয়ে ৬ বছর যাবত প্রতারণা করে আসছেন এমন অভিযোগ উঠেছে মো. নূরে আলম খান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এঘটনায় উল্টা মামলা দিয়ে ভুক্তভোগী শহীদসহ তার পরিবারকে হয়রানি করছেন নূরে আলমসহ তার স্ত্রী তানিয়া আক্তার।
এমন ঘটনা জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চাপারকোনা জামতলা মোড় এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চাপারকোনা গ্রামের মৃত বদিউজ্জামন এর ছেলে নূরে আলম খানের কাজ থেকে ২০১৮সালে ৪২শতাংশ জমি ৯০হাজার টাকায় বন্ধক নেন একই গ্রামের জামাল উদ্দিন শেখের ছেলে শহীদ। পরবর্তীতে দুই বছর পর সেই জমির ৩০শতাংশ জমি বিক্রির বায়নাপত্র করেন নূরে আলম খান। ১৭হাজার টাকা প্রতি শতাংশ দামে ৩,৭০,০০০ হাজার টাকায় নগদ দিয়ে মো. শহীদ এর সাথে বায়নাপত্র করে নুরে আলম খান।
এদিকে নুরে আলম খানে ঐ জমিতে ওয়ারিশকৃত ঝামেলার দোহাই দিয়ে বায়নাপত্র জমি লিখে না দিয়ে কৌশলে পায়তারা করতে থাকেন। ৬ বছর পার হলে হটাৎ শহীদ মিয়া জানতে পারেন জমিটা তার স্ত্রী তানিয়ার নামে লিখে দিছেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শহীদ মিয়া বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা করেন নুরে আলম খানের স্ত্রী তানিয়া আক্তার। এমন ঘটনায় নুরে আলম প্রতারণা করেছেন এমনটা ধারনা করেছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী শহীদসহ পরিবারের সদস্যরা বলেন, ‘আমরা জমিতে দখলেই আছি। বন্দক দলিল, বায়নাপত্র দলিল সব আছে আমাদের। নুরে আলম আমাদের সাথে প্রতারনা করছেন। জমি দিবে বলে সে জমি দিচ্ছে না।শুনছি তার বউকে লিখে দিছে। ৬ বছর যাবত ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিয়ে রাখছি। উল্টা মামলা দিয়ে আমাদের উপর। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নূরে আলম খান ও তানিয়া আক্তার বলেন, ‘ জমি লিখে নেওয়ার জন্য শহীদ আসেনি কখনো। আমরা কোর্ডের সহায়তা নিয়েছি। সে যদি পারে প্রতারণার প্রমাণ করুক। আমরা কখনই তাকে জমি দিবো না।
এ ঘটনায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলছেন, ‘আমরা অনেকেই জানি জমিটি বায়নাপত্র হয়ছে। এখন নুরে আলম খান যেটা করেছে এটা প্রতারনা। এমন প্রতারনা করা ঠিক হয়নি। তাকে আইনের আওতায় আনা উচিৎ।





