বেতকা ইউপি চেয়ারম্যান রিগ্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ, প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রোকনুজ্জামান সিকদার (রিগ্যান)-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার এবং তাঁর সমর্থনে বা তাঁকে ঘিরে প্রচারিত পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে অপপ্রচার ও পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি তোলা হয়। তাঁদের মতে, মতপার্থক্য থাকলে তা যুক্তি, তথ্য ও গণতান্ত্রিক আলোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত। কারও বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রচার কিংবা প্রচারসামগ্রী নষ্ট করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্মানহানি ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি হলে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে যেকোনো অভিযোগ বা বিরোধের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ সত্য হলে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে হবে; আর অভিযোগ মিথ্যা হলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত বিষয়টি জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এমনটি করা হয়েছে এবং এর পেছনে কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সাংবাদিক সম্মেলন থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয় বলে আয়োজকদের বক্তব্য থেকে উল্লেখ করা যেতে পারে।
জনস্বার্থে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
একটি ইউনিয়নের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনগণের আস্থা বজায় রাখতে অপপ্রচার ও প্রচারসামগ্রী নষ্ট করার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধ যেন কোনোভাবেই জনজীবনে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান সিকদার (রিগ্যান)-এর বক্তব্য, অভিযুক্ত পক্ষের প্রতিক্রিয়া এবং প্রশাসনিক অবস্থান জানা গেলে সংবাদটি আরও পূর্ণাঙ্গ ও ভারসাম্যপূর্ণ হবে। অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়।





