সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আটোয়ারী মাহী ফিলিং স্টেশন: ওজনে কম ও রাতের আঁধারে তেল বিক্রির মহোৎসব

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১:৩১ পিএম
আটোয়ারী মাহী ফিলিং স্টেশন: ওজনে কম ও রাতের আঁধারে তেল বিক্রির মহোৎসব

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলাতে অবস্থিত মাহী ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে কয়েকমাস ধরে ওজনে কম তেল দেওয়া এবং রাতের আঁধারে গোপনে তেল বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভোক্তা ও পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, প্রকাশ্যে নিয়ম মেনে তেল বিক্রির কথা থাকলেও বাস্তবে চলছে অনিয়মের এক অদৃশ্য চক্র।

জানা যায়, দেশে তেলের এই ক্রান্তিলগ্নে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে আটোয়ারী মাহী ফিলিং স্টেশনে তিন হাজার লিটার জ্বালানি পেট্রোল ও সাড়ে চার হাজার ডিজেল আসে। পরের দিন শনিবার সকালে সেই তেল সাধারণ মোটরসাইকেল আরোহীদের দুইশো টাকার করে পেট্রোল দেওয়া হয়। দুইশো টাকার তেল নেওয়ার জন্য হাজারের অধিক মোটরসাইকেল আরোহীকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, পাম্প কর্তৃপক্ষ তাদের পরিচিত বা স্থানীয় কিছু লোকের প্রভাবে কাউকে পাঁচশো থেকে সাতশো টাকারও তেল দিয়েছে। সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়ে তেল দেওয়া হয় দুপুর ২ টা পর্যন্ত৷ ২ টার পরেই তেল শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয় পাম্প কর্তৃপক্ষ। তারপরও তেল না পেয়ে এবং পাম্পে আরো তেল অবশিষ্ট আছে সন্দেহে রাত ৮ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে দেখা যায় মোটরসাইকেল আরোহীদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক মোটরসাইকেল আরোহী জানান, আমরা রাত ১০ টায় আবারো আসি। অপেক্ষা করতে থাকি আবার কখন তেল দেওয়া শুরু করবে৷ তখন রাত ১ টার পরে আবারো তেল দেওয়া শুরু করে। তবে, দুইশো টাকার নয়, মানুষ ভেদে চারশো থেকে সাতশো টাকার তেল দেওয়া হয়েছিল৷ অনেকেই আবার জারে করে তেল নিয়ে গেছে।
সেদিন গভীর রাতে তেল দেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরপাক খেতে দেখা গেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পাম্পের সকল বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ করে তেল দেওয়া হচ্ছে। তেল দেওয়ার মেশিন চালু থাকতে এবং মোটরসাইকেল গুলোতে তেল দিতে দেখা গেছে।

সকাল ১০ টা থেকে শুরু করে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তেল দেওয়ার কার্যক্রম চললেও রাতের গভীরে ফিলিং স্টেশনে বিশেষ কিছু গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই সময় কোনো ধরনের রসিদ দেওয়া হয় না এবং সরকারি নিয়মও মানা হয়নি। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মোটরসাইকেল চালক ও পরিবহন শ্রমিক অভিযোগ করেন, তারা নিয়মিত তেল নেওয়ার সময় মিটার অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমি ২০০ টাকার তেল নিলেও গাড়ির মিটার অনুযায়ী তা অনেক কম দেখায়। এর আগে একই টাকায় বেশি তেল পেয়েছি। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে তেলের সংকট চলছে৷ তাই গ্রাহক তেলে পেলেই হলো। ওজনে তেল কম দিচ্ছে কিনা সেটা দেখার সময় নেই। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আটোয়ারী মাহী ফিলিং স্টেশন গ্রাহকদের ওজনে তেল কম দিচ্ছে এটা শতভাগ সত্য। ২০০ টাকার তেল নিলে সেখানে ২০/৩০ টাকার হাওয়া ঢুকছে। যদি প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে তাহলে অবশ্যই মাহী ফিলিং স্টেশনের দুর্নীতি ধরা পরবে বলে তিনি জানান।”

এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের বেলায় ফিলিং স্টেশনটির আশপাশে সন্দেহজনকভাবে যানবাহনের আনাগোনা বাড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সময়েই গোপনে তেল বিক্রির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ বিষয়ে মাহী ফিলিং স্টেশনের কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবা বিষয়টি সম্পর্কে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপামনি দেবী জানান, এ ধরনের অভিযোগ অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। সকল গ্রাহক যেন নির্বিঘ্নে তেল পায় সেই দিকে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এবং গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের অভিযোগের দ্রুত সমাধান না হলে ভোক্তাদের আস্থা আরও কমে যাবে এবং বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে ভোক্তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ অভিযান চালিয়ে মিটার যাচাই এবং রাতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হোক। এতে সত্যতা বেরিয়ে আসবে এবং অনিয়ম বন্ধ হবে।

কাদাযুক্ত রাস্তা চলাচল উপযোগী করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবলু

জহিরুল ইসলাম মিলন (ধনবাড়ী) টাংগাইল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৭:০৬ পিএম
কাদাযুক্ত রাস্তা চলাচল উপযোগী করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবলু

টাংগাইলে ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডের ধোকেরকুল গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হলো। গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে নিজস্ব অর্থায়নে কাদা-মাটিতে বেহাল রাস্তাটি সংস্কার করে দিয়েছেন পাইস্কা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাইস্কা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবলু।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধোকেরকুল গ্রামের এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা এবং যাতায়াতের অযোগ্য ছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটিতে কাদা জমে সাধারণ মানুষের চলাচল স্থবির হয়ে পড়ত। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু এবং রোগীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিষয়টি নজরে আসার পর, এলাকাবাসীর কষ্টের কথা চিন্তা করে নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কারের দায়িত্ব নেন মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবলু।

রাস্তা সংস্কার কাজ শেষ হওয়ায় ধোকেরকুল গ্রামের জনগণের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “অনেকদিন ধরে আমরা এই রাস্তাটি নিয়ে চরম দুর্ভোগে ছিলাম। কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি। শফিকুল ইসলাম বাবলু ভাই নিজের টাকা খরচ করে রাস্তাটি যাতায়াতের উপযোগী করে দিয়েছেন। আমরা তার এই মানবিক কাজের জন্য কৃতজ্ঞ।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবলু জানান: জনগণের সেবাই আমার মূল লক্ষ্য। ধোকেরকুল গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি ভালো রাস্তার অভাবে কষ্ট পাচ্ছিলেন। তাদের এই দুর্ভোগ আমি সহ্য করতে পারিনি। তাই একজন সাধারণ মানুষ ও জনপ্রতিনিধি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নিই। ভবিষ্যতেও পাইস্কা ইউনিয়নের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজে আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকব।

এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, যেভাবে মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবলু ব্যক্তিগত তহবিল থেকে জনস্বার্থে কাজ করে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই উদ্যোগের ফলে ধোকেরকুল গ্রামের শত শত মানুষের যাতায়াত এখন অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে।

আটোয়ারী সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম, জড়িত খোদ অফিসারাই

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম
আটোয়ারী সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম, জড়িত খোদ অফিসারাই

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা। ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অতিরিক্ত টাকা আদায়, দীর্ঘসূত্রিতা এবং হয়রানির অভিযোগ উঠেছে অফিসটিকে ঘিরে। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের কিছু খোদ কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ৮ থেকে ১০ সদস্যের একটি দালাল চক্র।

ভুক্তভোগীরা জানান, নামজারি, খতিয়ান উত্তোলন, জমির পর্চা সংশোধন, রেকর্ড যাচাইসহ বিভিন্ন কাজে অফিসে গেলেই প্রথমে দালালদের মুখোমুখি হতে হয়। অফিসের সামনের চায়ের দোকান ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নেওয়া এসব দালাল সাধারণ মানুষকে ঘিরে ধরে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। পরে অফিসের ভেতরে থাকা পেসকার আল আমিন ও রেকর্ড কিপার জুলফিকার আলি ভুট্টুর সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক প্রথমে নিজেই ছদ্মবেশে সেবাগ্রহীতা হিসেবে আটোয়ারী উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে যায়। গিয়ে অফিসের রেকর্ড কিপার জুলফিকার আলি ভুট্টুর কাছে একটি খতিয়ানের কপি সহ কিছু কাগজপত্র তোলার জন্য কথাবার্তা বলেন। এসময় একটি খতিয়ানের কপির জন্য তিনি ৫ হাজার টাকা এবং অতিরিক্ত পাঁচশো টাকা চেয়ে বসেন।

একইভাবে অফিসের পেশকার মোঃ আল-আমিনের কাছে অন্য একটি খতিয়ানের কপি এবং কিছু কাগজপত্র চাওয়া হলে তিনিও ৫ হাজার টাকা সহ অতিরিক্ত পাঁচশো টাকা চেয়ে বসেন।

স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখা, বিভিন্ন অজুহাতে বারবার ঘোরানো কিংবা কাগজপত্রে ভুল ধরার মতো ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেবাগ্রহীতা বলেন, “আমি জমির একটি রেকর্ড সংশোধনের জন্য অফিসে গিয়েছিলাম। পরে এক দালাল এসে বলে দ্রুত কাজ করতে হলে আলাদা খরচ লাগবে। রাজি না হওয়ায় কয়েকদিন ধরে আমাকে ঘুরানো হয়েছে।”
আরেক ভুক্তভোগী জানান, “অফিসে সরাসরি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা কঠিন। দালাল ছাড়া যেন কোনো কাজই হয় না। অফিসের ভেতরের লোকজনের সহায়তা না থাকলে তারা এত প্রভাব বিস্তার করতে পারতো না।”

সরকারি অফিসে দালাল চক্রের এমন দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে আর্থিক ক্ষতি। দ্রুত এ বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে আটোয়ারী সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “অফিসে কোনো দালাল নেই। কেউ ব্যক্তিগতভাবে প্রতারণা করলে সেটির দায় অফিস নেবে না। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপামনি দেবী বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। যদি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে সাধারণ সেবাগ্রহীতারা দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আটোয়ারীতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

সালাম মুর্শেদী, (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
আটোয়ারীতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বার আউলিয়া গ্রামের জলিলের ছেলে ইউসুফ আলী (৪৫), পার্শ্ববর্তী বোদা উপজেলার ধরধরা গ্রামের নরেশ রায়ের ছেলে নিমাই (১৪) এবং একই উপজেলার প্রধানপাড়া গ্রামের ইশক লালের ছেলে রিমন চন্দ্র (১৪)।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে তাদেরকে আটোয়ারী উপজেলার ধরধরা রেলগেইট এলাকা থেকে আটক করে আটোয়ারী থানা পুলিশ।

আটোয়ারী থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় এবং আটোয়ারী থানার এএসআই জগদীশ চন্দ্রের নেতৃত্বে মাদক বিরোধী এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ধরধরা রেলগেইট এলাকা থেকে মাদক কেনাবেচার সময় তাদেরকে ৫০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করা হয়।

আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে মাদক বিরোধী এক বিশেষ অভিযানে তাদেরকে ৫০ গ্রাম গাঁজা সহ আটক করা হয়। বুধবার (১৩ মে) বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আটোয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করে পঞ্চগড় বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আটোয়ারী থানা পুলিশের চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তারা জানান।