ইন্দুরকানীতে এসএসসিতে পাস করেনি ৩০ প্রতিষ্ঠানের ৪৯০ শিক্ষার্থী
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেনি ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৯০ শিক্ষার্থী। যার মধ্যে, ১২টি স্কুল আর ১৮টি মাদ্রাসা। এই অঞ্চলের এসব প্রতিষ্ঠানের সব গুলো মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১৮ টি মাদ্রাসার ১৬ টি মাদ্রাসাই এমপিওভুক্তি।
এর মধ্যে ১২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট এসএসসি পরিক্ষার্থী ছিলো ৬৪৫ জন যার মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ২৮৬ শিক্ষার্থী। জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মাধ্যমিকে রয়েছে মাত্র ৩ জন।
অন্যদিকে ১৮টি মাদ্রাসায় মোট দাখিল পরিক্ষার্থী ছিলো ৫২৮ জন যার মধ্যে পাশ করেছে ৩৯৭ জন শিক্ষার্থী।
এবারের দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাশ করা ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আছে বালিপাড়া চাঁন সিরাজিয়া মহিলা আলীম মাদ্রাসা। আর সর্বনিম্ন পাশ করার তালিকায় রয়েছে ইন্দুরকানী ভবানিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪১জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৯জন।
অন্যদিকে উপজেলা সদরে ২টি ঐতিহ্যবাহি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১টি হলো সেতারা স্মৃতি সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় যেটি সরকারি করা হয় ২০২ ৭৫ পরিক্ষার্থীর মধ্যে ২৫ শিক্ষার্থী পাশ করতে পারিনি। বিদ্যালয়টি পাশের হার ৬৬.৬৭% থাকলেও জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মাত্র ২ জন। এবং ইন্দুরকানী মেহেউদ্দিন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৮শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে মাত্র ৩৬ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়টিতে পাশের হার মাত্র ৪০.৯১%।
ইন্দুরকানী মেহেউদ্দিন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) হেলাল উদ্দিন গাজী বলেন, বিগত দিনের শিক্ষার্থীদের যেভাবে পাশ করানো হয়েছিলো তার নিয়ম এবার পরিবর্তন হয়েছে। আগে কোন শিক্ষার্থী যদি খাতায় পাশ করার মত নম্বর না পেতো তাহলে শিক্ষা বোর্ড থেকে সেই সকল শিক্ষার্থীদের পাশ করার মত অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার অনুমতি ছিলো। কিন্তু এবছর এমন কোন নির্দেশনা না থাকায় কাউকে খাতায় অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে পাশ করানো হয়নি আর তাই পাশের হার অনেক কম।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্য সব বিষয়ে কিছুটা ভালো করলেও এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণিত এবং ইংরেজিতে ফেলের সংখ্যাই বেশি।
তবে অবিভাবকদের অভিযোগ, ভালো মানের শিক্ষক ও ভালো পরাশুনা না হওয়ার করনেই পরীক্ষার্থীরা ফেল করছে।








